হামে আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার জন্য মা শাহিদা খাতুনের ঝামেলা

হামে আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার জন্য মা শাহিদা খাতুনের ঝামেলা

হামে আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার জন্য অনুদানের চেক পেলেও ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে পারছেন না মা শাহিদা খাতুন। টাকার অভাবে হামে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তিনি। গত রোববার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ শিশুটির মা শাহিদা খাতুনের হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। কিন্তু বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তাঁর ব্যাংকে হিসাব খুলতে পারেননি এবং সেই চেক ভাঙাতে পারছেন না।

ছেলের জন্য ওষুধও কিনতে পারছেন না। একবার ব্যাংকে যাচ্ছেন, আবার জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে দৌড়াচ্ছেন। শাহিদা খাতুনের (১৭) বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার নয়দিয়াড়ী সিরোটোলা গ্রামে। তাঁর স্বামী ডালিম আলী একজন দিনমজুর। তিনি চট্টগ্রামে কাজ করেন। শাহিদার বাবা জুয়েল আলী ঢাকায় রিকশা চালান। শাহিদার ছেলের বয়স এখন চার মাস। তার মধ্যে দুই মাসই ছিল হাসপাতালে। বাচ্চার চিকিৎসার জন্য শাহিদা রিকশাচালক বাবার তিনটি গরু বিক্রি করেছেন। গরু বিক্রির তিন লাখ টাকা চিকিৎসার পেছনে শেষ হয়ে যায়।

এরপর ছেলের চিকিৎসার জন্য রাজশাহী শহরে থাকা-খাওয়া বাবদ তাঁদের কোনো টাকাপয়সা ছিল না। শাহিদার নামে জেলা পরিষদের প্রশাসক যে চেক দিয়েছেন, সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখা সেটি ফেরত দিয়েছে। কারণ, ব্যাংকে চেক জমা দিয়ে টাকা তুলতে হলে একটা হিসাব নম্বর খুলতে হবে। শাহিদার বয়স ১৮ না হওয়ায় হিসাব নম্বর খোলা যাচ্ছে না।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।