শিশুদের মৃত্যু হামে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হামের উপসর্গ থাকলে সেটিও হামে মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। হামে মৃত্যু ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারা কিছু মৃত্যুকে সন্দেহজনক হামের কারণে হচ্ছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করছে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে প্রথম আলোসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম হামে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করতে থাকে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল প্রথম আলোকে হামে মৃত্যুর তথ্য দেয়; কিন্তু এক পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মৃত্যুর মধ্যে বিভাজন টানে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কিছু মৃত্যুকে বলছে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু; আর বলছে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের উপসর্গ থাকলে সবই হাম রোগে মৃত্যু।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের দেওয়া তথ্য বলছে, এ বছর সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪ জনের এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৩৯ জনের। যদিও প্রকৃত পক্ষে হামে এ বছর ২৩৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন) অধ্যাপক ফোয়ারা তাসমীন বলেন, ‘ধরেই নেওয়া যায় যে এখন পর্যন্ত যারা মারা গেছে, তাদের সবাই হামে আক্রান্ত ছিল; কিন্তু ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ব্যতীত এটা বলা উচিত না যে সবাই হামেই মারা গেছে। ১০০ জনের মধ্যে হয় তো একজনের মৃত্যুর কারণ হাম ছিল না। পরীক্ষা করা যায়নি বলে সেই একজনের মৃত্যুকে হামে মৃত্যু বলা উচিত নয়।































































































































































































































