হাওরের ধান কাটতে পারলেন না, কীবায় চলবাম?

হাওরের ধান কাটতে পারলেন না, কীবায় চলবাম?

নেত্রকোনায় বৃষ্টি না হলেও হাওরের পানি কমছে না। ফলে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে কৃষকদের। গতকাল শনিবার ভোর থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে নেত্রকোনায়। আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার। এতে কৃষকের মনে কিছুটা হলেও আশার আলো জাগছে। কারণ স্তূপ করে রাখা পচাগলা ধান ত্রিপল বিছিয়ে হলেও শুকানোর ব্যবস্থা করা যাবে। তবে বৃষ্টি না হলেও হাওরের পানি মোটেই কমছে না। ফলে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।

বড়খাপন গ্রামের আরেক কৃষক হাবলু মিয়া বলেন, ‘গুরাডোবা হাওরে ১১ আড়া (১ হাজার ৪০৮ শতাংশ) জমি করছিলাম। মাত্র তিন আড়া জমির ধান কাটছিলাম। তাও শুকাইতে না পাইরা পচাগলা হইতাছে। রইদ নাই, খলায় (ধান শুকানোর জায়গা) পানি উঠছে। আইজ বৃষ্টি না হইলে মনে হয় ত্রিপাল বিছাইয়া লারতে পারবাম।’

স্থানীয় বাসিন্দা, জেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার ১০ উপজেলায় এবার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ টন ধান। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়। সরকারি হিসেবে হাওরে ৬২ শতাংশ খেতের ধান কাটা হয়েছে। আর অতিবৃষ্টিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬৬ হেক্টর জমির ধান।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।