সকালে হালকা বৃষ্টি ছিল। দুপুরের পর কিছুটা রোদ উঠলে চনমনে হয়ে ওঠে প্রকৃতি। কিন্তু বিকেল গড়াতেই আবার আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। চারদিকে অন্ধকার হয়ে আসে। বিদ্যুৎ চমকানোর পাশাপাশি মেঘ ডাকে, ঝোড়ো বাতাস বইতে থাকে। টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি হাওরপারের কৃষকের চোখ থেকে ঘুম ও মন থেকে শান্তি কেড়ে নিয়েছে। কৃষকের চোখের সামনে ধানের খেত ডুবছে। কিছুই করার থাকছে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের বিরইমাবাদ এলাকায় গেলে কৃষকদের মধ্যে ফসল ডোবার হাহাকার টের পাওয়া যায়। দূর থেকে মানুষের কর্মতৎপরতা দেখে মনে হয়, উৎসব চলছে। কিন্তু ভারী বর্ষণ ও ঢলের পানি হাওরপারের কৃষকের ফসল তোলার এই আনন্দ-উৎসবকে নিঃশব্দ-নীরব কান্নার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
বিরইমাবাদ গ্রামের কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, ‘দুই দিনে পানি বাড়ছে। মাইনষে ধান কাটতো পারের না। (কাউয়াদীঘি) হাওরের ফাটাইংরা (ফাটাসিংড়া) বিলর পাড়ে আমার ৩০ কিয়ার (১ কিয়ারে ৩০ শতক) খেত পানির তলে। মাত্র দুই কিয়ার কাটছি। এক হাত পানি কমলে ধান কিছুটা ভাসতো পারে, তখন মানুষ কিছু বাঁচত পারে। ধান পাকি (পেকে) গেছে। কাটার টাইম মিলছে না।’































































































































































































































