জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যরিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, কৃষকের উন্নতির কথা চিন্তু করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। এরপর যারা সরকারে এসেছেন তারা নদী খাল খনন করেননি। তারা নদী-খাল দখল করেছেন। কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে এবং দেশকে আবারও সুজলা-সুফলা করে তুলতে খাল খনন কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার দুপুরে নেত্রকোণা সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নে ভরবিল থেকে আনছা বিল পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক খাল ভরাট হয়ে যায়। এতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়, শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট তৈরি হয় এবং জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় আবারও খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কর্মসূচি সফল হলে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যও পুনরুদ্ধার হবে।































































































































































































































