গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউটকোনা গ্রামে একটি বহুতল বাড়ি থেকে শারমিন আক্তার (৩০), ছেলে রসুল মিয়া (২৩), নাতনি মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮) ও ফারিয়ার (২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়াকে দায়ী করছেন স্বজনেরা। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।
ঘটনার খবর পেয়ে আজ বেলা ১টার দিকে গোপালগঞ্জ থেকে কাপাসিয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছান নিহত শারমিন আক্তারের বাবা মো. শাহাদাত মিয়া, বোন ফাতেমা বেগমসহ অন্য স্বজনেরা।
ঘরের ভেতরে পড়ে থাকা লাশ দেখে বাইরে এসে চিৎকার শুরু করেন শাহাদাত মিয়াসহ স্বজনেরা। আহাজারি করতে করতে বৃদ্ধ শাহাদাত মিয়া বলেন, ‘অ রে মা। তুই যদি খালি আমারে কইতি যে আব্বা, এই হইতাছে, তোরে কি আমি দিতাম আব্বা? আমার পাঁচটা যদি খাতি পারে, তে তুইও তো খাতি পারতিরি মা। তোর মা আমারে কইসিল, তুমি ওর (ফোরকান) নামে জিডি হরি থোও। ওর ভাব–লক্ষণ ভালো না। আমি কইছি, থাক, জিডি হরলি মাইয়া টিকতি পারবি না।’































































































































































































































