খাবার বিক্রেতাদের দুঃখবোধজনক অবস্থা

খাবার বিক্রেতাদের দুঃখবোধজনক অবস্থা

ফুটপাতে রুটি, ডাল, ডিমভাজি ও সবজি বিক্রি করে সংসার চলে মো. হোসেনের। প্রতিদিন সকাল সাতটার মধ্যে তিনি চলে আসেন কারওয়ান বাজারে টিসিবি ভবনের সামনের ফুটপাতে। দুটি লম্বা টেবিল ও কয়েকটি চেয়ার বিছিয়ে শুরু করেন বিক্রির প্রস্তুতি। রুটি ও ডিমভাজি ফুটপাতে বসেই তৈরি করেন এলপিজি সিলিন্ডারের চুলায়। ডাল ও সবজি বাসা থেকে তৈরি করে আনেন।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। তখন দোকানে ক্রেতা ছিল না। দুপুরের দিকে এ রকম অবস্থা আগে কখনো হতো না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বেচাবিক্রির অবস্থা সুবিধার না। জিনিসপত্রের দাম যেমনে বাড়তেছে, রুটি–ডিমভাজি বেচা কয় টাকা লাভ?’

মাসে তাঁর আয় ২০–২১ হাজার টাকার বেশি নয়। আর মাসে ঘরভাড়া দেন ১০ হাজার টাকা। বাকি যা থাকে তা দিয়ে পরিবারের খাবার, ছেলের পড়াশোনা, তাঁর নিজের চিকিৎসার খরচ—হিসাব মেলাতে পারছেন না।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।