স্ত্রীকে লাথি দেওয়ার পর আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মামলায় মামুনকে সাজা

স্ত্রীকে লাথি দেওয়ার পর আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মামলায় মামুনকে সাজা

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের হারামিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাচিয়াপারের গুচ্ছগ্রামে ঘটে এ ঘটনা। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মামুন নিজের ভ্যানে করে লাশ নিয়ে যান বাড়ির অদূরে নির্জন বিলে। এরপর আগুন ধরিয়ে দেন স্ত্রীর লাশে। এতে স্ত্রীর শরীরের প্রায় অর্ধেকই পুড়ে যায়। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় হয় গত বৃহস্পতিবার। আদালত রাবেয়াকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামী মামুনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড, লাশ পোড়ানোর দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেন।

মামলার নথি ও নিহত রাবেয়ার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে সন্দ্বীপের হারামিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাচিয়াপারের গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মো. মামুনের সঙ্গে একই এলাকার রাবেয়া বেগমের বিয়ে হয়। তাঁদের প্রথমে একটি কন্যাসন্তান, পরেরবার যমজ কন্যাসন্তান হয়। পরপর তিনটি কন্যাসন্তান হওয়ায় মামুন অসন্তুষ্ট ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গর্ভে আবারও যমজ সন্তান রয়েছে জেনে মামুনের ধারণা ছিল, দুটিই কন্যাসন্তান হবে। তাই স্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত তাঁর।

মামলার বাদী ও নিহত রাবেয়ার ভগ্নিপতি কামাল পাশা প্রথম আলোকে বলেন, আসামি মামুনকে গ্রেপ্তার করে সাজা কার্যকর করা হোক। এভাবে আর কোনো স্বামী যাতে নৃশংসভাবে স্ত্রীকে খুন করতে না পারে। ছেলে বা মেয়ে—যেটিই হোক, সন্তান নিয়ে কেউ যেন বৈষম্য না করে।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।