বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় নৌপুলিশের এক কর্মকর্তাকে ঘিরে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের গুরুতর ও বিস্তৃত অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ঘাট ও ব্যবসায়িক পয়েন্ট থেকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্পিডবোটে অগ্নিকাণ্ড, সরকারি তেল আত্মসাৎ এবং অবৈধ অর্থ লেনদেনের অডিও-ভিডিও প্রমাণ থাকার দাবিও উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইন্সপেক্টর এ এইচ এম লুৎফুল কবির নিজেই লোক মারফত বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে নিয়মিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করছেন। এই কার্যক্রম শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নৌ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে একটি সংগঠিত চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই চাঁদাবাজির সঙ্গে নৌ পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করা হলেও তার সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।































































































































































































































