নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগে নিজেদের আস্তানাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান থেকে নিরাপদ রাখতে মাদক ব্যবসায়ীরা সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি চালাতেন বলে জানিয়েছে র্যাব। গতকাল মঙ্গলবার র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার পর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ অভিযানে এ তথ্য উঠে এসেছে। অভিযানে ড্রোন, সিসিটিভি ক্যামেরা, ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৩ জনকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন সোহেল রানা (৪০), আবদুর রাজ্জাক (৪০), জোবায়ের হোসেন (২২), শামীম আহম্মেদ (২২), মিঠুন (৩৪), ইমন প্রধান (২৬), মো. আকাশ (৩০), মো. রুবেল (৩৭), আরাফাত হোসেন (২৮), মো. সুজন (৩২), মো. হৃদয় মিয়া (৩২), মো. টুটুল খান (৩৮) ও রেজাউল করিম (৪৮)।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র্যাব-১১ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে আস্তানার আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করত। পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি চালানো হতো, যাতে অভিযানের আগাম তথ্য পেয়ে তারা দ্রুত সরে যেতে পারে।’
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, অভিযানে চারটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও একটি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫টি পিস্তলের গুলি, ১০টি ছুরি-চাকু, ৭টি চায়নিজ কুড়াল, ২টি রামদা, ৩টি চাপাতি ও নগদ ১১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এ সময় ২৩৫ কেজি গাঁজা ও ১১ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি টাকা গণনার মেশিন, ল্যাপটপ ও ওজন মাপার যন্ত্র জব্দ করা হয়েছে।































































































































































































































