প্রতাপনগরের উদ্বাস্তু মানুষের দুর্ভোগ ছয় বছরেও কেন ঘুচল না

প্রতাপনগরের উদ্বাস্তু মানুষের দুর্ভোগ ছয় বছরেও কেন ঘুচল না

সুপারসাইক্লোন আম্পানের সেই ভয়াল রাত সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে দীর্ঘ মেয়াদে বদলে দিয়েছিল। কপোতাক্ষ আর খোলপেটুয়া নদীর লোনাপানি যখন বেড়িবাঁধ ভেঙে জনপদে ঢুকে পড়েছিল, তখন মানুষ ভেবেছিল এটি সাময়িক দুর্যোগ। কিন্তু ২০২৬ সালের ২০ মে, আম্পানের দীর্ঘ ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতাপনগরের শত শত মানুষের কাছে সেই অভিশপ্ত রাত যেন আজও শেষ হয়নি।

কয়েক শ পরিবার নিজেদের ভিটেমাটিতে ফিরতে না পেরে বেড়িবাঁধের ঢালে কিংবা সড়কের পাশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রতাপনগরের এই চিত্র কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের গল্প নয়, বরং এটি দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার একটা বড় উদাহরণ।

একটি ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের মানচিত্র বদলে গেছে, কাজের অভাবে হাজারো মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে, অথচ আজ ছয় বছর পরও উপজেলা প্রশাসন বলছে, তারা মানুষের এই মানবেতর জীবনের কথা ‘শুনেছে’ এবং ‘পরিদর্শন করে উদ্যোগ নেবে’।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।