রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পানিনিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এর ফলে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ হলো, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ফলিমারীর দোলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। সাধারণত বর্ষার পানি ফলিমারী বিল হয়ে সতীপাড়া ঘাট দিয়ে চিকলী নদীতে নেমে যায়। কিন্তু সতীর ঘাট এলাকায় কুশা গ্রামের খলিলুর রহমান মাছ চাষের জন্য নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় পানিনিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি বের হতে না পেরে অন্তত ১০০ একর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পানি নামানো না গেলে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ফলিমারীর মাঠজুড়ে থইথই পানি। কোথাও কোথাও পানির ওপর ভেসে আছে ধানের শিষ। নালার মুখে বাঁধ দিয়ে জাল টানিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে। কৃষক গোলাম সরওয়ার বলেন, তাঁর ১০ একর জমিতে পানি জমেছে। দ্রুত পানি সরানো না গেলে সব ধান নষ্ট হবে। ২ একর জমিতে ধান চাষ করেছেন জানিয়ে কৃষক শুকুর আলী জানান, তাঁর জমিও পানিতে ডুবে আছে। সময়মতো পানি না নামলে পুরো ফসল পচে যাবে। কৃষক হাফি মিয়া বলেন, গত বছরও একই কারণে ধান তলিয়ে গিয়েছিল, এবারও ১০০ থেকে ১৫০ একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।































































































































































































































