রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে মারা যাওয়া এক শিশুর দাদি মাসুদা বেগম বলেন, সারা রাত বাচ্চাডা কান্নাকাটি করছে। খানিক আমি লইছি, খানিক অর নানি লইছে, বাচ্চার মায়ে লইছে। এভাবে করতে করতে রাত তিনডা বাজছে। কোলে নিয়া ঘুরাঘুরি করতাছি, দোয়া দরুদও পড়ছি। বাচ্চার মা বুকের দুধও খাওয়াইছে। তারপর কতক্ষণ চুপ করছে।
মাসুদা বেগম আরও বলেন, ঈদের কারণে রোজা রাখুম বইলা নাতিনের নানির কাছে দিয়া গ্যাছি। সাহ্রি খাইয়া আইসা দেহি তখনও বাচ্চা চুপচাপ হইয়া রইছে। তারপর আমি নামাজ পড়তে গ্যাছি, নামাজ পড়ে এসে শুনি আমার নাতিনডারে এনআইসিউতে নিয়ে গ্যাছে। কিছুক্ষণ পরে এসে বলে যে মারা গ্যাছে।
হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে ছয়টি শিশু মারা যায়। পুলিশের ধারণা, এসির গ্যাসলাইনে লিকেজ বা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।































































































































































































































