সুনামগঞ্জের নীলপুর গ্রামের কৃষক আবু বকর (৬৫) বলেন, এবার ধান তলিয়ে যাওয়ায় চাহিদামতো খড় পাননি। তাই বর্ষায় গরুগুলোকে কী খাওয়াবেন এই চিন্তায় পড়েছেন।
শুধু আবু বকর একা নন, এবার ঘরের গবাদিপশুর জন্য খড় সংগ্রহ করতে পারেননি অনেক কৃষক। তাই বর্ষায় সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় গোখাদ্যের সংকটে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন অনেকে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে কৃষকসহ খামারিদের কাছে গরু রয়েছে পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৭৩৭টি, মহিষ ৩৯ হাজার ১১২টি, ছাগল এক লাখ ৪৯ হাজার ১১৮টি ও ভেড়া আছে এক লাখ ৪১ হাজার ৫২২।































































































































































































































