সুন্দরবনের গভীরে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের মুখোমুখি হয়েছিলেন মৌয়াল বাবলু গাজী (৪৮)। জীবন-মৃত্যুর সেই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাঘকে প্রতিহত করে ফিরেছেন তিনি। তবে বাঘের থাবায় তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়েছে, ভেঙে গেছে ডান হাতের বাহুর হাড়। এখন তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যায় সুস্থ হওয়ার লড়াই করছেন।
বাবলু গাজী বলেন, ‘৬ মে বুড়িগোয়ালিনী অফিস থ্যাকে পাস নে আমরা ১০ জন জঙ্গলে গেলাম মৌ কাটতি। দুই ভাগে ভাগ হুয়ে পাঁচজন কুরে দুই খালের দুই বাড়দে কাটতি কাটতি যেতিলাম। খালের আগায় একটা বড় চাক পেলাম। আদা মণটন মৌ ছেলো। আমি টেকের ওপর দাঁড়াইছি, এর মদ্যি ডান দিকদে বাঘ লাফ দে পুড়ে। পুড়ার পর আমারে ফেলে দে।’
বাবলু গাজী বলেন, ‘আমাগে আর চারজন লোক কুড়ি-বাইশ হাত সামনে দাঁড়ায়ে রয়ে। বাঘ আমারে ঠাসতে আর আও আও শব্দ করতে। ওই সময় বাঘের মাথায় ছেলো জট। আমার বাম হাতে ড্রামের দড়ি ছেলো। দড়ি দে জটে পেঁচাই দিলাম। পরে ড্রামটা আমার বাম কাদ থ্যাকি ফ্যালে দিলি বাঘের পার উপর য্যায়ে পুড়েছে। হিংস্র বাঘ ড্রামে লাথি মারতি শুরু করল। এক লাথিতে সরেনি। পরে আরেক লাথি দিলে মাথার জট ছিড়ে গেবরুয়েছে। তারপর আমারে কামড় আর আচড়ে দে সামনে চলে গে।’































































































































































































































