তেল নিতে সময় কিছুটা কমলেও এখনো যে সময় লাগে, সেটি ভোগান্তির

তেল নিতে সময় কিছুটা কমলেও এখনো যে সময় লাগে, সেটি ভোগান্তির

যদি ২৪ ঘণ্টা তেল থাকত তাহলে আমাদের মতো ড্রাইভারদের ১০ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা বাইরে বসে থাকার কোনো যুক্তি আছিল না। দেশে তো তেলই নাই। তেল আছে শুধু সংসদের ভেতরে, বাইরে তো তেল নাই। মনে ক্ষোভ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন প্রাইভেট কারের চালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর আসাদ গেটে অবস্থিত মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনে কথা হয় এই চালকের সঙ্গে। তিনি জানান, ভোর পাঁচটায় তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও তেল পাননি। তেল না পাওয়া প্রসঙ্গে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ করে মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘পাম্প থেকে ভোরে যখন লাইনে দাঁড়াই তখন বলেছিল বেলা দুইটার সময় তেল আসবে। দুইটার সময় যখন জিজ্ঞেস করেছি, তখন বলেছে বিকেল ৫টার সময় আসবে। এখন একটু আগে জিজ্ঞেস করে আসছি, বলেছে সাড়ে ছয়টা বাজবে।’রিয়াজ উদ্দিনের দাবি, সংসদে মন্ত্রীরা বলেন, দেশে তেলের সংকট নেই। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। তেলের জন্য গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তি পোহাতে হয় তাঁদের।

এই ফিলিং স্টেশনে বেলা ১১টায় মোটরসাইকেল নিয়ে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নিয়ন মোহাম্মদ ইনতিসার। সাড়ে ৬ ঘণ্টা অতিক্রম হলেও তেল পাননি তিনিও।

তেল না আসার বিষয়ে এই তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার মো. এরশাদ প্রথম আলোকে বলেন, গত পরশু দিন ডিপো থেকে তাঁরা যে তেল পেয়েছিলেন, সেটি গতকাল পর্যন্ত বিক্রি করে শেষ। আজকে তেলের জন্য গাড়ি ডিপোতে গেছে। কিন্তু তেল আসতে দেরি হচ্ছে। যার কারণে তাঁরা অপেক্ষায় থাকা লোকদের তেল দিতে পারছেন না।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।