ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার খোঁচাবাড়ি পশুর হাটে বছরের পর বছর ধরে বসছে কোরবানির পশুর হাট। নেই পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা, নেই চলাচলের উপযোগী রাস্তা। এ কারণে প্রায় হাঁটুসমান কাদাপানির মধ্যেই চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচা। আজ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার খোঁচাবাড়ি পশুর হাটে গিয়ে এমন দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায়। অথচ এ হাট থেকে প্রতিবছর সরকার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করছে।
ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে কোনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দৌলতপুর সোলেমান খান বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে বসেছে পশুর হাট। সোমবার রাতের সামান্য বৃষ্টিতে মাঠজুড়ে জমেছে পানি। এমন অবস্থায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের জুতা-স্যান্ডেল হাতে নিয়ে হাটে ঢুকতে হচ্ছে। কেউ কেউ গরু-ছাগল টেনে নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন। অনেকের পা প্রায় এক ফুট পর্যন্ত কাদায় ডুবে যাচ্ছে।
শহরের আশ্রমপাড়া মহল্লার বাসিন্দা মনিরুল হুদা কোরবানির গরু কিনতে হাটে এসেছেন। হাটের মুখে কাদাপানি দেখে কোনোভাবেই ভেতরে যেতে চাচ্ছিলেন না। উপায়ন্তর না দেখে হাটের কোণের একটি দোকান থেকে পলিথিন নিয়ে দুই পায়ে জড়িয়ে নিলেন। এরপর পছন্দের গরু খুঁজতে কাদাপানি মাড়িয়ে হাটের ভেতরে ঢুকে পড়লেন তিনি। কয়েক মিনিট পর কাদামাটি মেখে ফিরে এলেন। মনিরুল বললেন, ‘এভাবে গরু কেনা সম্ভব!’ বলেই হাট থেকে বেরিয়ে গেলেন তিনি।































































































































































































































